পোস্টগুলি

ডাঃসুব্রত দাস,ডিএইচএমএস

ছবি
ডাঃ সুব্রত দাস,ডিএইচএমএস ও সহকারী অধ্যাপক সুজাতপুর ডিগ্রি কলেজ। হোমিওর উন্নয়নে নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছেন শেখ হাসিনা মরহুম ডা. মো. শারফুল আলম স্মরণে বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক কল্যাণ সোসাইটি আয়োজিত স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দৈনিক আমার সংবাদ প্রকাশক ও সম্পাদক এবং যুব-সমাজের নেতা হাশেম রেজা উপস্থিত হোমিও চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা মানুষের সেবায় নিয়োজিত, মহৎ আপনাদের এ পেশা। আপনাদের চিকিৎসা ব্যবস্থায় সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বীকৃতি দিয়েছেন, তারই তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। যিনি মানুষের জীবন মান উন্নয়নে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করছেন। দেশরত্ন শেখ হাসিনা হোমিওপ্যাথির উন্নয়নে পোস্টিংসহ নানাবিধহ কর্মকান্ড পরিচালনা করে নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছেন। গতকাল শনিবার রাজধানীর কচি-কাঁচার মেলা অডিটরিয়ামে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সারা দেশ থেকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণ এ স্মরণসভায় যোগদান করেন। সম্পাদক হাশেম রেজা চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা নিজেদের কখনও ছোট ভাববেন না। আপনাদের পাশে আমি যেকোনো প্রয়োজনে থাকব ইনশাহ আল্লাহ্। ...

আধুনিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

ছবি
আধুনিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা   ডাঃ জনাব সুব্রত দাস বলেন,  ভারতে হোমিওপ্যাথির যাত্রা ১৮৩৯ সালে। তখন বৃটিশ রাজত্ব। পাঞ্জাবের রাজা রনজিৎ সিং বাকযন্ত্রের (ঠড়পধষ পড়ৎফ) রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। পক্ষাঘাতজনিত তার বাকযন্ত্রের চিকিৎসা করেন ডা. জন মারটিন হনিগবার্গার। রাজা তার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আরোগ্য লাভ করেন। এরপর রাজার পৃষ্ঠপোষকতায় এগিয়ে চলে হোমিওপ্যাথি ভারতবর্ষে। ১৯৩৭ সালে প্রথম সরকারি স্বীকৃতি মেলে কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের মাধ্যমে। ১৯৪৮ সালে পাস হয় হোমিওপ্যাথি শিক্ষা ও চিকিৎসা আইন। এভাবেই ভারতে হোমিওপ্যাথির অগ্রযাত্রা। মূলত বৃটিশ আমলেই ভারতবর্ষে হোমিওপ্যাথির বিকাশ শুরু হয়েছিল। কারণ বৃটিশ রাজপরিবারই হোমিওপ্যাথির পৃষ্ঠপোষকতা করছিল। আমরা জানি, রাজপরিবারের সদস্য ড. কুইন (উৎ. ছঁরহ) কলেরা আক্রান্ত হয়ে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ক্যামফর (ঈধসঢ়যড়ৎ) সেবনে আরোগ্য লাভ করেছিলেন। তারপর থেকেই (১৮৩২) তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৮৫০ সালে তিনি লন্ডনে প্রথম হোমিওপ্যাথিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। বলা যায়, হোমিওপ্যাথি ওষুধের গুণাবলীর কারণে। হোমিওপ্যাথি রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিল। হ...

বঙ্গবন্ধু তুমি- আবু জাফর

বঙ্গবন্ধু তুমি- আবু জাফর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানতুমি এ বাঙ্গালী জাতির পিতা,আমার ক্ষুদ্রজ্ঞানে তোমার গুনেরকথা লেখার নেই ক্ষমতা।তোমার নিয়ে যুগযুগ ধরেলিখবে কত কবি তাদের কবিতা,তুমি যে সংগ্রাম করে এনেছোবাঙালির স্বপ্নের স্বাধীনতা।৭মার্চে রেসকোর্স ময়দানেতুমি দিয়েছিলে অগ্নিঝরা ভাষন,সাড়ে সাতকোটি মানুষ ঐক্যবদ্ধকরে ভেঙে দিয়েছিলে সেই দুঃশাসন।ক্ষুধা, নিপীড়ন, নির্যাতন, শোষণেরবিরুদ্ধে সহ্য করেছিলে কত ব্যাথা,গোটা জাতির সামনে একটাই পথ আর প্রণের দাবী, শুধুই স্বাধীনতা।তাই বাঙালি জাতি হলো ক্ষব্ধআর তখনি শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ,মুক্তিকামি বাঙালিকে পারল না দাবাতে, পারল না করতে গৃহরুদ্ধ।লাখো শহীদের রক্তেরাঙা ভূখণ্ডেসৃষ্টি হলো অসংখ্য বীরের অমরগাঁথা,পৃথিবীর মানচিত্রে আঁকা হলো নতুনএকটি সীমানা, পেলাম স্বাধীনতা।